20_10

স্মৃতির ঝাঁপি - অনুপ কুমার বনিক

পূজো আমার

ছেলেবেলার - চুরি করে রাখা

স্মৃতির রংচটা তোরঙ্গ।

মরচে পড়া তালা

ক্যাচোর ক্যাচ্ শব্দ করে

খুলে পড়ে 

ঢাকের কাঠির বোলে ।

শীত শীত করা -

ভোরের মিঠে হাওয়ায়,

সকালের রূপোলি

শিশিরের ছোঁয়ায়,

ডালা খোলে তার ।

একরাশ তাজা হাওয়া,

বেরিয়ে এসে-

আমায় ভাসিয়ে নিয়ে যায়,

বাঁশ আর টিনের মন্ডপে ।

বুকের উপর 

দু'হাত আড়াআড়ি করে

গোল গোল স্বপ্নীল চোখে দেখি

পাল কাকু তাল তাল মাটি দিয়ে

গড়ছে  দূগ্গামা  ।

নাক সির সির করা 

মাটির সোঁদা গন্ধে-

আজও মনের রন্ধ্র বেয়ে উঠে আসে -

এক মায়াবী আবেশ ,   

ঠেলে দেয় 

এক ভালো লাগার শৈশবে ।

ফিরে যেতে আবার ইচ্ছে করে

পূজোর সকালে-

যখন গায়ে তেল মাখিয়ে

স্নেহমাখা হাত দুটো

নাইয়ে দিতো জোর করে ;

নতুন কাপড় পরিয়ে ,

অঞ্জলি দেওয়াতো-

আরেক মায়ের পায়ে

ভাব ভরে।

 কখনো টানা বারান্দায়

পাত পেড়ে খাওয়া -

অগ্রজার মেখে দেওয়া গ্রাসে। 

ধূনুচির ধোঁয়ায় ঢাকের ছন্দে

রাতের পেট্রোম্যাক্সের আলোয়

ছলছলে মায়ের চোখ  

নবমীর রাতে।

এখনো যত্নে লালিত  হয়-

মনের  গহনে ,

বিজয়ার প্রণামে হুড়াহুড়ি আর

ধুতি পরা পা দুখানি ,

এক নিশ্চিত ভরসার ঠিকানা,

জীবনের উত্তাল সমুদ্রে ।

প্রচ্ছদ এবং সম্পাদকীয় কলমে

  দোল দিয়ে যায় কাশের বনে আশ্বিনের হিমেল হাওয়া শিশির ভেজা শিউলি বেলা বছর ঘুরে ফিরে পাওয়া। বোধন হতে নিরঞ্জন - ভেদ হীন এক ঐক্যতান, ঢাকের বো...