20_10

একটি না-কবিতা। - সুদেষ্ণা রায় গোস্বামী

(শেষ লাইন রবি আলোয় আলোকিত)।কিছুটা সত্য ঘটনা ও কিছু টা রূপকের আন্তরিক ফসল।


আজ আবার অভিসারে এসেছি আমি।

আষাঢ়ী শুক্লা তিথির চতুর্দশী চাঁদ, 

সোহাগে লুটোপুটি খায় আকাশকোলে।

মাঝে মাঝে টেনে নেয় মেঘের ওড়না ।

পূবালী হাওয়ার এলোমেলো আদরে ,

চিক চিক করে ওঠে রূপসা নদীর জল।

করুণ প্রেমের একতারার সুরমুর্ছনায়,

বেজে ওঠে মিলনরাগের মেঘমল্লার।

চকিতে মনে পড়ে যায় সেদিনের কথা ।

এমনই চন্দ্রিল ছিল সেই অভিশপ্ত রাত।

নদীতট ভাসছিল কোজাগরী চতুর্দশীর,

শ্বেত শুভ্র মোহময়ী মায়া জ্যোৎস্নায়।

ইতি উতি ছুটছিল কাদা শামুকের দল।

কিছুটা দূরত্বে তুমি আমি হাঁটছিলাম ,

তীর ধরে পাশাপাশি দিগন্ত অভিমুখে ।

হঠাৎ অতর্কিত ছন্দপতনে দিগভ্রান্ত ,

দিশেহারা হয়ে পড়ল আমার সত্ত্বা।

চোরাবালিতে লুকিয়ে থাকা নিষ্ঠুর ,

নীল কালান্তকের দুর্নিবার আকর্ষণ ,

ক্রমশ তিলে তিলে গ্রাস করল তোমায়।

শত চেষ্টা পারেনি তোমাকে আটকাতে।

জানি না কি জাদু ছিল তোমার ওই,

নিষ্ঠুর দ্বিতীয় পুরুষের লোভনীয় ডাকে।

আর ফিরে এলে না তুমি অনিমিখা।

চরম শোকেও নিজেকে অগ্রাহ্য করে,

ফিরিয়ে আনতে গেলাম তোমাকে,

স্রোতস্বিনীর বুক চেরা পঙ্কিল রাস্তায়।

সেই থেকে প্রতি কৌমুদী রাত কাটে,

বিরহের  করুণ অভিসারের খোঁজে ।

হোগলা বনের অভিমানী দীর্ঘ নিঃশ্বাস,

বলে ওঠে ফিস ফিস করে,

চিরসখা হে ছেড়ো না মোরে।

প্রচ্ছদ এবং সম্পাদকীয় কলমে

  দোল দিয়ে যায় কাশের বনে আশ্বিনের হিমেল হাওয়া শিশির ভেজা শিউলি বেলা বছর ঘুরে ফিরে পাওয়া। বোধন হতে নিরঞ্জন - ভেদ হীন এক ঐক্যতান, ঢাকের বো...