20_10

নীরব পঙক্তি - নিমাই ন্যায়বান

পূর্ণতার কাছে আমি পরিত্যক্ত অনন্তকাল ধরে...

উত্থান-পতনের শব্দ শুনে বাঁধ ভাঙা চিৎকারে 

আমার আকাশ এলোমেলো।

জীবন- মরণের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে-

কতকাল এই শূন্যতার দিকে চেয়ে থাকা যায়?


নৈশব্দের দুঃখ অবসাদে-

খন্ড খন্ড মানচিত্রের মতো বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে 

কবিতার মায়াবী আঁচল। 

ভয়ানক অগ্নিগর্ভে অবিন্যস্ত যতিচিহ্ন নিয়ে সকাল সন্ধ্যায় বসে আছি ভাঙা চেয়ারে। 


কোথাও শূন্য মাঠ;

কোথাও শুনশান বারান্দা;

কোথাও ছিটেফোঁটা মেঘ!

কোথাও বা ঝলসে যাওয়া ঘাসের শরীরে 

দুর্যোগ আর মহামারীর আস্তরণ।



আশা-আকাঙ্ক্ষার স্পর্শে নিমজ্জিত 

বিপন্ন পৃষ্ঠাদের করুণ আর্তনাদ-

'আমাকে বাঁচাও! আমাকে বাঁচতে দাও!

শান্তিনিকেতনের দীর্ঘ নিশ্বাসে কলমদানিটাও 

আজ বড্ড অসহায়।


মরচে পড়া রেলপথে জীবনের ব্যাকরণ 

উপলব্ধির অন্তরায়।

অস্পৃশ্যতার আঁধারে অশ্রুভেজা মাটির কষ্ট অনুভবেও অক্ষম।

নির্ঘাত বিপর্যয়ের মাঝে আমিও একটুকরো বিরামহীন নীরব পঙক্তি।   


               -----------*********-----------

প্রচ্ছদ এবং সম্পাদকীয় কলমে

  দোল দিয়ে যায় কাশের বনে আশ্বিনের হিমেল হাওয়া শিশির ভেজা শিউলি বেলা বছর ঘুরে ফিরে পাওয়া। বোধন হতে নিরঞ্জন - ভেদ হীন এক ঐক্যতান, ঢাকের বো...