এই তো সেদিন বর্ষা গেল শরৎ এলো দ্বারে,
এরই মধ্যে কাশ ফুলেরা দুলছে নদীর ধারে!
শুভ্রাকাশে স্নিগ্ধ সকাল শিউলি ফুলের গন্ধ,
শরৎরাণী মিষ্টি সাজে, উল্লাসে মাতে ছন্দ।
ভেবেছিলাম কাশের সাথে রোদ মাখব পিঠে,
সোনালি আলোয় ভেজাবো শরীর,বইছে হাওয়া মিঠে।
শিশির কণা ভোরের হাওয়া ছিন্ন মেঘের মেলায়,
হঠাৎ করেই কাশ দুলছে মাটির বুকে লুটায়।
নীল আকাশে কাজলা মেঘ ছুটতে ছিল ব্যস্ত,
তখন আমার শরৎরাণী ভরালো ভুবন গাত্র।
পুকুর পাড়ে মাঠের পরে পথের ওই ধার,
বাঁশবনেতেও কাশ ফুটেছে দারুন লাগছে ঝাড়।
মেঘ মুখরিত পাখির কুজন নীলাকাশে দোলে,
হঠাৎ করে বর্ষা এলে ময়ূরপঙ্খী পাখা মেলে ।
শরৎরাণী সেজেছে যেন নববধূ এক কন্যে,
শুভ্রকাশ গুচ্ছ চূড়া কালো খোঁপার জন্যে।
শরৎরাণী রূপসী সাজে রূপকথার কাব্য গাঁথে,
প্রেমিক পুরুষ চোখ জুড়িয়ে ভালোবাসার স্বপ্নে মাতে।
মেঘবালিকা নীলাকাশে কবিতার স্বপ্ন বোনে,
শরৎরাণী কাশ বনে শ্বেত পরীর গল্প শোনে।