চল, একটু আবির খেলা যাক।
মরতে মরতে
চিতার আগুন গা-সওয়া হয়ে গেছে ।
চল এবার তবে ফিরে যাই, নিষিদ্ধ খামার জীবনে।
বোমারু বিমান আর মিলিটারি সাইরেন,
জানিয়ে যায়, গভীর মধ্য রাত, দুধারে গভীর খাদ।
দুহাত তুলে এসে দাঁড়াও, সংসদ ভবনের সামনে, সমাজের ফুসফুস বিষ মেশানো পায়েস আর
কর্কট সংক্রমণে।
সেচ্ছা-নির্বাসিত কৃষ্ণ,
সাধিকা মীরা আর প্রেয়সী রাধার জীবনে।
অন্তিম ইশারায়, তুমি আর অন্তত তিনজন, একসাথে নদীতে ধুয়ে এসো সবুজ চরণ,
ইহকাল-পরকাল, গিলতে হবে সভ্যতার রাহুগ্রাস।
দেওয়াল জুড়ে পাহারা দিও, বাড়িয়ে দুহাত।
আগুন কি জমে, সূর্যাস্তের পরে, সন্ধ্যা যখন নামে।
দৃশ্য-অদৃশ্য কে পুড়ল, কাকে পোড়ালো কে জানে।
ৠগ্বেদে সৌর সবিতা, তার রথ হিরণ্ময়,
পৃথিবীর চাঁদ নব-বন্যায়, আনন্দ-শিলা অরুন্ময়।
ফকিরি সুর সর্বনাশা, অন্ধমিলন রক্তময়।
আবির খেলা গলির মুখে, ফাগুনরূপা চিতা জ্বলে।
এখন দেখাও একটা ম্যাজিক, বাঁধন ছিঁড়ে রাতের চিতা জ্বালাবে, মেষপালক আর ভিনদেশি পথিক।
চল, একটু আবির খেলা যাক।